‘টাইগার চ্যালেঞ্জ’ এ অংশ নিতে পারেন আপনিও!!


উদ্ভাবনা বাড়ানোর জন্য ও নতুন নতুন উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে অগ্রসর করার জন্য টাইগার আইটি প্রতিনিয়ত  কাজ করে যাচ্ছে।  এর ধারাবাহিকতায় এম আই টি সল্ভের সাথে টাইগার আইটি  পার্টনারশীপে ‘টাইগার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এই প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবকরা তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা চেতনাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার সুযোগ পাবে।

কিভাবে উদ্ভাবক  ও উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে পারে?

অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি নির্ভর করে কোন সম্প্রদায়ের তাদের নিজেদের সুস্বাস্থ্য এবং ফলপ্রসূ  জীবনযাত্রা তৈরী করার ক্ষমতার উপর। যদিও গত দশকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নবজাতক মৃত্যুহার হ্রাস ও জীবনযাত্রার মানের বেশ উন্নতি হওয়াতে বাংলাদেশের মানুষের ও অর্থনৈতিতে  ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়, তবুও এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ জায়গায় দারিদ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি, এছাড়াও প্রতিনিয়তই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে যেমন বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে পাশাপাশি দূষণের জন্য দিন দিন পারিপার্শ্বিক পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা হুমকির মুখে আছে।

টাইগার আইটি ফাউন্ডেশন এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এমআইটি সল্ভের সাথে যৌথ উদ্যোগে  ‘টাইগার চ্যালেঞ্জ’ লঞ্চ করতে যাচ্ছে। নতুন এই চ্যালেঞ্জের প্রধান কাজ হলো এইসব সমস্যার সমাধান  যেসব ইনভেন্টররা বের করতে পারবে, তারা বাংলাদেশের মধ্যেই হোক আর দেশের বাইরেই হোক না কেন তাদের  সাপোর্ট করা, যা কিনাঃ

  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং বাংলাদেশের সকল অঞ্চলে ও বেশির ভাগ জনগনের জন্য অধিক বেতনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, বিশেষ করে ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ও তরুণদের জন্য।

 

  • সমঅধিকার ও কস্ট-ইফেক্টিভ সেবা প্রদান করা বিশেষ করে স্বাস্থ্য-সেবা, শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ট্রেইনিং এর ব্যাবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশের সোসাইটি যাতে করে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ ও চাহিদাগুলো মেটাতে সক্ষম হতে পারে।

 

  • অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অংশগ্রহণ-অন্তর্ভুক্তিতে বাধা-বিপত্তি কমানো,পাশাপাশি তথ্য, ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল লিটারেসিতে সহজেই প্রবেশ করার সুযোগ করে দেয়া।

 

অথবা,

 

  • অর্থনৈতিক উন্নতিতে সাহায্য করা এবং বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সাস্টেইনেবল

কৃষি-ব্যবস্থার উদ্ভব করা যার ফলে  মজুদের প্রাপ্যতা, লো/যিরো কার্বন সমৃদ্ধ এবং যা আঞ্চলিক দূষণে কোন ভূমিকা রাখবে না।

 

টাইগার আইটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের মধ্যের এবং বাংলাদেশের বাইরের সেসব আবেদনকারীর জন্য উন্মুক্ত, যারা বাংলাদেশি বাজারে ইতোমধ্যে প্রবেশ করেছে বা করবে।টাইগার চ্যালেঞ্জের বাছাইকৃত বিজয়ীকে ইউএসডি ২ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত  বিনিয়োগ করা হবে।

 

 

বাংলাদেশী আবেদনকারীরা আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে আর আন্তর্জাতিক আবেদনকারীদের সময় আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

 

আপনাদের আশেপাশেই কি এমন ধরনের উদ্যোক্তা বা ইনভেন্টর আছেন যারা টাইগার চ্যালেঞ্জের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করছেন? আমরা আপনাদেরই খুঁজছি।

হ্যাপি সোল্ভিং

 

 

 

 

0