স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দেয়ার গল্প


স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিতে পেরেছি একথা এখনো বলতে পারছি না।রাত হলেই ঘুমাবার আগে ডজন ডজন কল্পনা মাথায় এসে ঘুরপাক খেতে থাকে।আজ রাতে একটা পরিকল্পনা করলাম।দিনের আলোতে সেটা লণ্ডভণ্ড হয়ে ব্যর্থ হয়ে গেল।

এভাবেই বেশ কিছুদিন চলতে লাগলো।ফ্যাশন ডিজাইনের হিসেবে ভাবতে শুরু করেছি।নিত্য নতুন সমসাময়িক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কল্পনায় নানান ডিজাইন এঁকে চলেছি।অবশেষে স্থির করলাম কিভাবে বাস্তবে রুপ দেয়া যায়।

কাগজ কলমে স্কেচ করি,দর্জি বাড়ি যাই,পছন্দসই কাপড় কিনি,তৈরি হয়ে যায় রং বেরংয়ের আকর্ষণীয় পোশাক।একজন ক্রেতা,দুইজন ক্রেতা,পাঁচজন,দশ জন এভাবে নতুন নতুন ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে থাকে।আমার কাজের চাপ ও আনন্দ দুটার হিসাব নিকাষও চলতে থাকে।

তরুণী,কর্মজীবী মহিলা,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী,গৃহিণী,প্রবাসী আজ অনেকেই আমার ক্রেতা।সবার আগ্রহ দেখে আমার প্রবল ইচ্ছাটাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর দিতেই আজকের আফরিনা’স কালেকশন।বাস্তবতার গল্পটাকে সত্যিকারের গল্প আমার কাছেই এখন অবাক করা ব্যাপার।

দেশ বিদেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে যখন বেড়াতে বা অবকাশ যাপন করতে যাই,তখনও মাথায় থাকে ব্যতিক্রমধর্মী কিছু সামগ্রী কিনে অনেকের সখ ও তার বাড়ীর সমৃদ্ধ বাড়াতে আমার অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে তা পূরণ করতে।এভাবেই দিন দিন নানান সামগ্রী ও পণ্যতে আমার অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্রকে এখন রাঙিয়ে তুলছি।

আফরিনা’স কালেকশন বিপণন বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে আমার ক্রেতাদের কাছ থেকে সুনাম বৃদ্ধির কারণে।তারাই আমার বিপণন ও বাজার তৈরিতে এগিয়ে এসেছেন।পোশাক থেকে শুরু করে হস্তশিল্প, খাদ্যদ্রব্য,কর্পোরেট ব্র্যান্ডিংয়ের টিশার্ট ও নানাবিধ উপহার সামগ্রী এখন আমার ব্যবসার নিত্যদিনের সঙ্গী।

0