ই – ট্রেড লাইসেন্স এর টুকিটাকি!!


যেকোন ব্যবসার  অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সেই ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। যে কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করার প্রথম শর্ত হল ঐ ব্যবসা’র আইনগত বৈধতা। ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স। বৈধভাবে যেকোনো ব্যবসা পরিচালনার জন্য সেই ব্যবসার একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকা আবশ্যক।
 Trade অর্থ হল ব্যবসা আর Licence মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র । তাই কোন ব্যবসা শুরু করার সময় সেই ব্যবসায়ের বৈধতা স্বরুপ আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে । অন্যথায় আপনার ব্যবসা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ কোন ব্যবসায়ের বৈধতার সার্টিফিকেট বা দলিলই হল ট্রেড লাইসেন্স।
কিন্তু ট্রেড লাইসেন্স নতুন করে বানাতে বা নবায়ন করতে অনেকেই  নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এই ট্রেডলাইসেন্সের টুকিটাকি নানা জরুরি বিষয় নিয়ে শাহিন’স হেল্পলাইন এর ফাউন্ডার ও  সিইও আমিনুল ইসলাম বিশদ ভাবে এর উপায়গুলা
বলেনঃ
আপনি যদি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেসন এর আওতায় কোন নতুন ট্রেড লাইসেন্স বা কোন ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করেন তাহলে এ বছর থেকে সেটা ই-ট্রেড লাইসেন্স হয়ে যাবে ।

১ম ধাপ :
আপনি যদি নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে চান তাহলে আপনার ব্যবসার ঠিকানাটা ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরসন এর যে অফিস এর আওতায় পড়েছে সেই অফিসে গিয়ে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে । আবেদন করতে হবে ( ই-ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য নতুন আবেদন ফরম তৈরী করা হয়েছে ) । আর আপরি যদি ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে যান তাহলে আপনি আপনার আগের পুরনো ট্রেড লাইসেন্সটি নিয়ে সংস্লিষ্ট অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে ।

২য় ধাপ :
আপনি যখন নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করবেন তখন আপনাকে একটি তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে । আপনি উক্ত তারিখে সংস্লিষ্ট অফিসে গেলে আপনাকে উনার আপনার ই -ট্রেড লাইসেন্স এর একটি ড্রাফট দেখাবেন এবং আপনাকে একটি ড্রাফট দিয়ে দিবেন । ড্রাফট এর মধ্যে আপনার একটি TRACKING নম্বর থাকবে যা আপনার পরবর্তী ধাপ এ কাজে লাগবে । ট্রেড-লাইসেন্স রিনিউ করতে দিলেও এ পর্যায়ে আপনাকে একটা ড্রাফট দিবে এবং সাথে TRACKING নম্বর থাকবে । এরপর থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স এবং ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ এর জন্য পরবর্তী ধাপগুলো একইভাবে অনুসরন করতে হবে ।

৩য় ধাপ :
ড্রাফট এর কপি নিয়ে এ পর্যায়ে আপনাকে ব্যাংক এ যেতে হবে এবং ব্যাংক আপনার TRACKING নম্বর দেখে আপনার কাছ থেকে টাকা জা নিবে । টাকা জমা দেবার কাগজপত্র অফিসে জমা দিলে আপনার ই-ট্রেড লাইসেন্স কবে পাবেন তার একটি তারিখ দিয়ে দিবে । উক্ত দিনে আপনি অফিসে গেলে আপনি আপনার নতুন অথবা রিনিউ ই-ট্রেড লাইসেন্স পেয়ে যাবেন ।

উক্ত প্রক্রিয়াটির জন্য ই-ট্রেড লাইসেন্স এর একটি আলাদা ওয়েব সাইট ওপেন করা হয়েছে । কিন্তু এই ওয়েব সাইট ব্যবহার করার বিষয়ে আরো সেবাগ্রহীতা পর্যায়ে তথ্য প্রয়োজন তবে ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেসন ই-ট্রেড লাইসেন্স সেবা ত্বরান্তিত করার জন্য । সকল অফিসে হেল্প ডেস্ক ওপেন করেছে যাতে সেবাগ্রহীতাদের তথ্য পেতে কোন প্রকার সমস্যা না হয় । এছাড়া আপনি নিচের লিংক এ গেলেও আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন ।

http://www.etradelicense.gov.bd/URegistrationEng

0